Sale!

Amochu | আমোচু- কৃষ্ণপ্রিয় ভট্টাচার্য

170

আমোচু একটি নদীর নাম। সে তিব্বত-হিমালয় পাহাড়ের চমুলহরিজাত। চারটি দেশ পেরিয়ে রোজ সে টন-টন পলিমাটি আর কিউসেক-কিউসেক জল সাগরের জন্য বয়ে নিয়ে যায়। তার উপকূলে যে রূপান্তরকামী সেপিয়ান সভ্যতা, সেই সভ্যতায় একটু-আধটু খবরদারি করাও আমোচুর নেশা।
লাম্পাতি একটি অতি প্রাচীন বটতূল্য বৃক্ষ। আমোচুর ডান উপকূলে তাদিংদঙে যখন থেকে আমোচুপারা আছে তখন থেকেই এক আদিবৃক্ষের মতো সেও আছে। লাম্পাতিকে সাধারণত লাম্পাতিবুড়ো বলা হয়। আমোচুর সঙ্গে লাম্পাতি বুড়োর এক রহস্যময় সখ্য। আমোচু লাম্পাতির এই অলৌকিক সম্পর্ক তাদিংদঙের এবং পাশের উপত্যকায় সেপিয়ান সভ্যতাকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করে।
হিপ্‌শা আর পদুয়া, দুটি ছোটো পাহাড়। মাঝে মাঝে এই দুই পাহাড়ের অনন্তকোন্দলতাদিংদও কেন ভিন গ্রহের প্রাণীরাও দেখে। এই পাহাড়কোন্দল ও আমোচু-উপকূলের সেপিয়ানদের জীবনে অন্য প্রাণবহ্নি বয়ে আনে।
এর মধ্যে সাইন্জা ও ঈশ্পা আর এন্ডিবুড়ৈ নামের কিছু ক্ষমতাবান উপজাতীয় দেবদেবীরও অনেক লীলাখেলা আছে। সেসব লীলাখেলাকেও ছুঁতে চায় প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষী আদিনদী, আমোচু। আর সবকিছুকে ছাপিয়ে উপত্যকায় অদ্ভূত অরণ্য-অস্তিত্ব। সেপিয়ানরা জানে না এই অরণ্যভাষ। অথচ আমোচুপা এবং প্রতিবেশী সকল সেপিয়ানদের জীবনে এই অরণ্যের ভূমিকা সাংঘাতিক। সেই অরণ্য তাদের মতো করে আবার বিনির্মাণ করতে চায় উপনিবেশবাদীরা। এ নিয়ে বাঁধে সংঘাত। এসব নিয়ে একটি নদীকথা বা বলা ভালো, কথানদী হল আমোচু। আপাতত বাংলা ভাষায় এই বয়ান কিঞ্চিৎ ভিন্নভাষ দাবি করবে।
এই আখ্যানিকার সঙ্গে সংযোজিত, বিশিষ্ট সাহিত্যতাত্ত্বিক তপোধীর ভট্টাচার্যের একটি ‘উত্তরকথন’ বয়ানটিকে বাংলা ভাষার পাঠকের কাছে নিয়ে যেতে হয়ত সাহায্য করবে।
SKU CHINTA023 Category Tags , , , ,

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

error: Content is protected !!